এখানে ছন্দে শুধু কান রাখো কবিতার প্রশ্ন উত্তর শেয়ার করা হলো। সপ্তম শ্রেণী বাংলা ছন্দে শুধু কান রাখো অজিত দত্ত।
সপ্তম শ্রেণী
বিষয়: বাংলা
ছন্দে শুধু কান রাখো কবিতার হাতে কলমে প্রশ্ন উত্তর
প্রশ্ন ১.১ “মন্দ কথায় কান দিয়ো না”- মন্দ কথার প্রতি কবির কীরূপ মনোভাব কবিতায় ব্যক্ত হয়েছে?
উত্তর: মন্দ কথা যদি মনের মধ্যে দ্বন্দ্ব বা বিবাদ তৈরি করে, তাহলে প্রকৃত ছন্দ শোনা যায় না। কবি মনে করেন, মন্দ কথা প্রকৃত ছন্দের সুর শুনতে বাধা সৃষ্টি করে। তাই কবি মন্দ কথার প্রতি বিরূপ মনোভাব প্রকাশ করেছেন।
প্রশ্ন ১.২ “কেউ লেখেনি আর কোথাও”-কোন লেখার কথা এখানে বলা হয়েছে?
উত্তর: কবি ‘ছন্দে শুধু কান রাখো’ কবিতায় নদীর স্রোতের চলাচলে যে ছন্দ লুকিয়ে আছে, তার কথা বলেছেন। প্রকৃতির এই অতুলনীয় ছন্দ মন দিয়ে শুনলে বোঝা যাবে যে, ইতিপূর্বে এই ছন্দময় ছড়া আর কেউ কোথাও লেখে নি।
প্রশ্ন ১.৩ “চিনবে তারা ভুবনটাকে”-কারা কীভাবে ভুবনটাকে চিনবে?
উত্তর: পৃথিবীর চারিদিকে ছন্দ ছড়িয়ে আছে। যারা সেই ছন্দ মন দিয়ে শোনে ও অনুভব করতে পারে, তারা প্রকৃতভাবে ভুবনটাকে ছন্দ সুরের সংকেতে চিনতে পারবে।
প্রশ্ন ১.৪ “পদ্য লেখা সহজ নয়”-পদ্য লেখা কখন সহজ হবে বলে কবি মনে করেন?
উত্তর: কবি মনে করেন, জীবন যখন ছন্দময় হয়ে ওঠে এবং সেই ছন্দে মন দিয়ে কান দেয়, তখনই পদ্য লেখা সহজ হবে। জীবন ও ছন্দের মধ্যে একাত্মতা আসলে পদ্য লেখাও সহজ হয়ে ওঠে।
প্রশ্ন ১.৫ “ছন্দ শোনা যায় নাকো”-কখন কবির ভাবনায় আর ছন্দ শোনা যায় না?
উত্তর: কবি মনে করেন, যদি মন দ্বন্দ্ব ও বিবাদে পূর্ণ থাকে এবং একাগ্রচিত্ত না থাকে, তাহলে প্রকৃত ছন্দ শোনা যায় না। ছন্দ শুনতে গেলে ঝগড়া ভুলে একাগ্র হতে হবে।
(2) বিশেষ্যগুলিকে বিশেষণে ও বিশেষণগুলিকে বিশেষ্যে পরিবর্তন করো এবং বাক্য রচনা করো।
১. ঝড় (বিশেষ্য) → ঝোড়ো (বিশেষণ)
বাক্য: ঝোড়ো হাওয়ার দাপটে গাছের পাতা উড়ে যাচ্ছে।
২. মন (বিশেষ্য) → মানসিক (বিশেষণ)
বাক্য: তার মানসিক শক্তি প্রশংসনীয়।
৩. ছন্দ (বিশেষ্য) → ছন্দিত (বিশেষণ)
বাক্য: গানটি ছন্দিত হয়ে ওঠে।
৪. দিন (বিশেষ্য) → দৈনিক (বিশেষণ)
বাক্য: আমাদের দৈনিক কাজকর্ম অনেক।
৫. সুর (বিশেষ্য) → সুরেলা (বিশেষণ)
বাক্য: শ্যামার গলাটি বেশ সুরেলা।
৬. সংকেত (বিশেষ্য) → সাংকেতিক (বিশেষণ)
বাক্য: বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন রাস্তার দিকে নির্দেশ করে।
৭. দ্বন্দ্ব (বিশেষ্য) → দ্বান্দ্বিক (বিশেষণ)
বাক্য: কথায় কথায় দ্বান্দ্বিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
৮. মন্দ (বিশেষ্য) → মন্দতা (বিশেষণ)
বাক্য: জীবনে মন্দতা দূর করো।
৯. ছন্দহীন (বিশেষণ) → ছন্দহীনতা (বিশেষ্য)
বাক্য: কবিতাটির ছন্দহীনতায় শ্রোতারা হতাশ হয়েছিলেন।
১০. পদ্যময় (বিশেষণ) → পদ্যময়তা (বিশেষ্য)
বাক্য: আমরা মুগ্ধ হয়ে গেলাম ছড়াটির পদ্যময়তায়।
১১. সহজ (বিশেষণ) → সহজতা (বিশেষ্য)
বাক্য: তার সহজতায় সকলের মন জয় হয়ে গেছে।
সপ্তম শ্রেণী
বিষয়: বাংলা
ছন্দে শুধু কান রাখো কবিতার হাতে কলমে প্রশ্ন উত্তর
৩. নীচের শব্দগুলিকে আলাদা আলাদা অর্থে ব্যবহার করে দুটি করে বাক্য লেখো:
১. মন্দ (খারাপ):
- সর্বদা মন্দ সঙ্গ এড়িয়ে যাওয়া উচিত। (অসুস্থ বা নেতিবাচক সঙ্গ)
- মন্দ কাজের ফল কখনও ভালো হয় না। (অনৈতিক বা নেতিবাচক কাজ)
২. মন্দ (হালকা):
- গরমকালের বিকালে মৃদু-মন্দ বাতাস বয়ে চলেছে। (হালকা বা নরম)
- বাতাসের মন্দ ছোঁয়ায় গাছপালা কাঁপছে। (মৃদু বা সজীব বাতাস)
৩. দ্বন্দ্ব (সংশয়):
- মানুষে মানুষে দ্বন্দ্ব করে কোনো লাভ নেই। (বিশ্বাসের অভাব বা বিরোধ)
- কোনো বিষয়ে দ্বন্দ্ব থাকলে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়। (বিরোধ বা অমীমাংসিত বিষয়)
৪. দ্বন্দ্ব (কলহ):
- মনে দ্বন্দ্ব থাকলে উন্নতি করা সম্ভব নয়। (বিরোধী অনুভূতি বা অস্থিরতা)
- সংসারে দ্বন্দ্ব কাটিয়ে একে অপরকে ভালোবাসা উচিত। (বিরোধ বা কলহ)
৫. তাল (ফলবিশেষ):
- ভাদ্র মাসে তাল পাকে। (তাল গাছের ফল)
- তাল গাছের তলে শিশুরা খেলা করতে ভালোবাসে। (তাল গাছের ছায়া বা তলে)
৬. তাল (লয়):
- সুর-তাল-লয় সঠিক রাখলেই গান শুনতে ভালো লাগে। (লয়ের সঙ্গতি)
- নাচের প্রতিটি পদক্ষেপের সাথে তাল মেলাতে হয়। (নৃত্য বা সংগীতের সঙ্গতি)
৭. ডাক (আহ্বান):
- শিশুর মুখে মা ডাক শুনতে মিষ্টি লাগে। (আবাহন বা আহ্বান)
- পোষা কুকুরের ডাক শুনে সবাই দৌড়ে আসে। (আবাহন বা ডাক)
৮. ডাক (চিঠির মাধ্যমে):
- সকালের ডাকে তার চিঠি পেয়েছি। (পোস্ট বা চিঠি)
- ডাকঘর থেকে সংবাদ পেয়ে তার মুখে হাসি ফুটলো। (চিঠি বা সংবাদ)
৯. বাজে (মন্দ):
- কারোর সম্বন্ধে বাজে কথা বলা উচিত না। (অশ্লীল বা অবমাননাকর)
- বাজে কথা বললে মানুষের মনে রাগ জন্মায়। (অপ্রীতিকর বা খারাপ)
১০. বাজে (আওয়াজ):
– সন্ধ্যা আরতিতে শাঁখ বাজে। (শব্দ বা আওয়াজ)
– দূর থেকে বাজের আওয়াজ শুনে সবাই তাড়াতাড়ি ছুটে আসে। (ধ্বনি বা শব্দ)
১১. ছড়া (গুচ্ছ):
– একছড়া কলা কিনে আনতে হবে। (গুচ্ছ বা দল)
– পুকুরের পাশের গাছগুলোতে কয়েকটি ছড়া লাগানো আছে। (গুচ্ছ বা ছোট অংশ)
১২. ছড়া (ছন্দবদ্ধ পদ্য):
- প্রকৃতির ছন্দে ছড়া লেখা বেশ কঠিন কাজ।
- কবি তার ছড়ার মাধ্যমে জীবনের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলেছেন।
১৩. মজা (আনন্দ):
- ঈদের দিন সবাই আনন্দে মজেছিল।
- ঘুরতে গিয়ে সবাই অনেক মজা পেয়েছে।
১৪. মজা (নষ্ট):
- পেঁপেটি অনেক দিন পরে পাকা হওয়ায় মজে গিয়েছে।
- ফলটি মজে যাওয়ায় আর খাওয়া সম্ভব হয়নি।
১৫. নয় (সংখ্যাবিশেষ):
- আগামী নয় মাসের মধ্যে আমাদের পরিকল্পনা শেষ করতে হবে।
- তার জন্মদিন ছিল নয় তারিখে।
১৬. নয় (না সূচক অব্যয়):
- এই ধরনের কাজ এখন আর করা উচিত নয়।
- গরিবদের উপহাস করা কখনোই উচিত নয়।
৪. নীচের শব্দগুলি কোন্ মূল শব্দ থেকে এসেছে লেখো।
১. জ্যোৎস্না > জোছনা
২. চক্র > চাকা
৩. কর্ণ > কান
৪. দ্বিপ্রহব > দুপুর
৫. ঝিল্লি > ঝিঝি
৫. কবিতার ভাষা থেকে মৌখিক ভাষায় রূপান্তরিত করো।
৫.১ ছন্দ আছে ঝড়-বাদলে।
উত্তর: ঝড়-বাদলে ছন্দ রয়েছে।
৫.২ ছন্দে বাঁধা রাত্রি-দিন।
উত্তর: দিন ও রাত ছন্দে বাঁধা।
৫.৩ কিচ্ছুটি নয় ছন্দহীন।
উত্তর: কোনো কিছুই ছন্দহীন নয়।
৫.৪ চিনবে তারা ভুবনটাকে/ ছন্দ-সুরের সংকেতে।
উত্তর: তারা ছন্দ এবং সুরের সংকেতের মাধ্যমে ভুবনটিকে চিনবে।
৫.৫ কান না দিলে ছন্দে যেনো/পদ্য লেখা সহজ নয়।
উত্তর: ছন্দে কান না দিলে পদ্য লেখা সহজ হবে না।
৬. ‘কান’ শব্দটিকে পাঁচটি বিশেষ অর্থে ব্যবহার করে বাক্য লেখো:
৬.১ কান (ইন্দ্রিয়বিশেষ) – আমরা কানের সাহায্যে শ্রবণ করি।
৬.২ কানমলা (শাস্তি পদ্ধতি) – পড়া না পারায় শিক্ষক ছাত্রটির কান মুলে দিলেন।
৬.৩ কানপাতলা (কথা গোপন রাখতে অসমর্থ) – সে খুব কানপাতলা, তাঁর কাছে কোন গোপন কথা বলা যাবে না।
৬.৪ কান খাড়া (আগ্রহ সহকারে) – রাম দরজার পাশে দাঁড়িয়ে সব কথা কান খাড়া করে শুনতে লাগল।
৬.৫ কানে লাগা (শ্রুতি কটু) – মিতার বেসুরো গান খুব কানে লাগে।
৭. ঝড়-বাদল’-এমনই সমার্থক বা প্রায়সমার্থক পাঁচটি শব্দ লেখো।
১. চিঠি-পত্র
২. খাতা-পত্তর
৩. বন-জঙ্গল
৪. নদী-নালা
৫. খাল-বিল
৮. তোমার পরিচিত আর কোন্ কোন্ যানবাহনের চলার মধ্যে নির্দিষ্ট ছন্দ রয়েছে?
উত্তরঃ
১. ট্রেনের চলার ছন্দ
২. বাসের চলার ছন্দ
৩. সাইকেলের প্যাডেলের ছন্দ
৪. নৌকার চলার ছন্দ
৫. টেম্পো বা অটোরিকশার ছন্দ
৯. নানা প্রাকৃতিক ঘটনায় কীভাবে প্রকৃতির ছন্দ ধরা পড়ে?
উত্তরঃ
নানা প্রাকৃতিক ঘটনার ছন্দ কান পেতে বা মন পেতে শোনা যায়।
কান পেতে শোনা যাবে এমন প্রাকৃতিক ছন্দগুলো হলো:
- পাখির ডাক
- ঝিঁঝিঁর ডাক
- নদীর কলতান
- বৃষ্টির শব্দ
- মেঘের গর্জন
- বায়ু প্রবাহ
মন পেতে শোনা যাবে এমন ছন্দগুলো হলো:
- দুঃখীর হাহাকার
- হৃদয়ের শব্দ
- রাতের নীরবতা
- দিন-রাতের চলাচল
১০. সমার্থক শব্দ লেখো:
জল: সলিল, নীর, বারি, পানি, অম্বু।
দিন: দিবস, দিবা, অহ্ন, অহ, বেলা।
রাত্রি: নিশি, রাত, রজনি, শর্বরী, নিশীথ।
নদী:।তটিনী, নর্দ, সরিৎ, প্রবাহিণী, স্রোতস্বিনী।
ভুবন: পৃথিবী, জগৎ, বিশ্ব, অবনী, মেদিনী।
সপ্তম শ্রেণী
বিষয়: বাংলা
ছন্দে শুধু কান রাখো কবিতার হাতে কলমে প্রশ্ন উত্তর
১১. শব্দযুগলের অর্থ পার্থক্য লেখো:
দিন: দিনের সময়, আলো থাকা সময়।
দীন: নম্র বা বিনম্র।
শূর: সাহসী বা নির্ভীক।
সুর: সঙ্গীতের সুর।
মন: মানসিক চেতনা বা চিন্তাশক্তি।
মণ- ওজন পরিমাপের একক
সকল: সব বা সমস্ত।
শকল- মাছের আঁশ
১২. যারা-তারার মত তিনটি সাপেক্ষ শব্দজোড় তৈরি কর:
উত্তর: যেমন-তেমন, যিনি-তিনি, যদি-তবে।
১৩. কবিতা থেকে খুঁজে নিয়ে তিনটি ‘সর্বনাম’ লেখ।
উত্তর: সকল, যারা, তারা।
১৪. কবিতায় রয়েছে এমন চারটি ‘সম্বন্ধ পদ’ উল্লেখ করো।
উত্তর: পাখির ডাকে, ঝিঝির ডাকে, জলের ছন্দে, ঘড়ির কাঁটা।
১৫. নীচের বাক্য/বাক্যাংশের উদ্দেশ্য ও বিধেয় অংশ আলাদাভাবে দেখাও।
১৫.১: বাক্য: ছন্দ আছে ঝড়-বাদলে।
উদ্দেশ্য: ঝড়-বাদলে।
বিধেয়: ছন্দ আছে।
১৫.২: বাক্য: দেখবে তখন তেমন ছড়া/কেউ লেখেনি আর কোথাও।
উদ্দেশ্য: তেমন ছড়া।
বিধেয়: দেখবে তখন/কেউ লেখেনি আর কোথাও।
১৫.৩: বাক্য: জলের ছন্দে তাল মিলিয়ে/নৌকো জাহাজ দেয় পাড়ি।
উদ্দেশ্য: নৌকো জাহাজ।
বিধেয়: জলের ছন্দে তাল মিলিয়ে দেয় পাড়ি।
১৫.৪: বাক্য: চিনবে তারা ভুবনটাকে/ছন্দ সুরের সংকেতে।
উদ্দেশ্য: তারা।
বিধেয়: চিনবে ভুবনটাকে/ছন্দ সুরের সংকেতে।
১৬. কারক-বিভক্তি নির্ণয় করো।
১৬.১: ছন্দে শুধু কান রাখো।
উত্তর: অধিকরণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি।
১৬.২: ছন্দ আছে ঝড় বাদলে।
উত্তর: অধিকরণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি।
১৬.৩: দিনদুপুরে পাখির ডাকে।
উত্তর: অধিকরণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি।
১৬.৪: ছন্দে চলে রেলগাড়ি।
উত্তর: অধিকরণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি।
১৬.৫: চিনবে তারা ভুবনটাকে।
উত্তর: কর্ম কারকে ‘কে’ বিভক্তি।
ছন্দে শুধু কান রাখো কবিতার অতিরিক্ত প্রশ্ন উত্তর
প্রশ্ন ১: ‘ছন্দে শুধু কান রাখো’ কবিতার কবির নাম কী?
উত্তর: ‘ছন্দে শুধু কান রাখো’ কবিতার কবির নাম অজিত দত্ত।
প্রশ্ন ২: কবি অজিত দত্তের লেখা দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।
উত্তর: কবি অজিত দত্তের লেখা দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম হল- ‘কুসুমের মাস’ এবং ‘নষ্টচাঁদ’।
প্রশ্ন ৩: অজিত দত্ত কোন্ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন?
উত্তর: অজিত দত্ত ‘প্রগতি’ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
প্রশ্ন ৪: কবি অজিত দত্ত কোন্ সাহিত্যগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর: কবি অজিত দত্ত ‘কল্লোল’ সাহিত্যগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
প্রশ্ন ৫: কবি কোন্ কথায় কান দিতে নিষেধ করেছেন?
উত্তর: কবি মন্দ কথায় কান দিতে নিষেধ করেছেন।
প্রশ্ন ৬: পাখির ডাক কখন শোনা যায়?
উত্তর: পাখির ডাক দিনদুপুরে শোনা যায়।
প্রশ্ন ৭: সকল ছন্দ শুনতে পেলে পৃথিবীকে কেমনভাবে চেনা যায়?
উত্তর: সকল ছন্দ শুনতে পেলে পৃথিবীকে ছন্দ-সুরের সংকেতে চেনা যায়।
প্রশ্ন ৮: কবি কী ভোলার উপদেশ দিয়েছেন?
উত্তর: কবি দ্বন্দ্ব ভোলার উপদেশ দিয়েছেন।
প্রশ্ন ৯: নৌকো-জাহাজ কোথায় পাড়ি দেয়?
উত্তর: নৌকো-জাহাজ নদী ও সমুদ্রে পাড়ি দেয়।
প্রশ্ন ১০: নৌকো, জাহাজ কোন্ ছন্দে চলে?
উত্তর: জলের ছন্দময় স্রোতধারার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নৌকো, জাহাজ ভেসে চলে।
প্রশ্ন ১১: ‘কান না দিলে ছন্দে জেনো’-ছন্দে কান না দিলে কী হয়?
উত্তর: ছন্দে কান না দিলে পদ্য লেখা সহজ হয় না।
প্রশ্ন ১২: ছন্দ শুনতে পেলে মনের মাঝে কী জমবে?
উত্তর: ছন্দ শুনতে পেলে মনের মাঝে মজা জমবে।
সপ্তম শ্রেণী
বিষয়: বাংলা
ছন্দে শুধু কান রাখো কবিতার সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর
প্রশ্ন ১: কবির মতে ছন্দ কখন শোনা যায় না?
উত্তর: কবি বলেন, মন যদি দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, সংঘাত বা নেতিবাচক ভাবনায় লিপ্ত থাকে, তখন সেই মন দিয়ে প্রকৃতির ছন্দকে উপলব্ধি করা যায় না। কারণ, এসব ভাবনায় মন প্রকৃতির সরল এবং সুন্দর ছন্দের প্রতি খোলামেলা হয় না।
প্রশ্ন ২: প্রকৃতিতে কোন কোন বিষয়ে ছন্দ আছে?
উত্তর: কবি প্রকৃতির সর্বত্র ছন্দ অনুভব করেছেন। ঝড়ের সোঁ সোঁ শব্দ, বৃষ্টির টুপটাপ-ঝমঝম ঝিরঝির শব্দ, জোছনার রুপোলি আলো, পাখির কলকাকলি, ঝিঁঝির ডাক এবং নদীর অবিরাম জলধারায় সবই ছন্দের উপস্থিতি প্রকাশ পায়।
প্রশ্ন ৩: ‘চিনবে তারা ভুবনটাকে’- ‘তারা’ কারা? ভুবনটাকে কীভাবে চেনা সম্ভব?
উত্তর: এখানে ‘তারা’ বলতে কবি অনুভূতিপ্রবণ মানুষদের কথা বলেছেন, যারা প্রকৃতির ছন্দ এবং সুরের মাঝে জীবনের সঙ্গতি বুঝতে পারে। মনকে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব থেকে মুক্ত করে প্রকৃতির ছন্দ অনুভব করলে সেই ছন্দের মাধ্যমে আমরা বিশ্বভুবনকে চিনতে পারি।
প্রশ্ন ৪: ‘ছন্দ আছে জোছনাতে’- জোছনাকে দেখে ছন্দ বোঝা যায় কেমন করে?
উত্তর: পূর্ণিমার রাতে জোছনার মধ্যে এক অপরূপ ছন্দ আছে, যা প্রকৃতিকে মোহিত করে। চাঁদের আলো কখনো ফুটফুটে, কখনো ছায়াঘন হয়, আর মেঘ কখনো আড়াল করে কখনো প্রকাশ করে। এই পরিবর্তনশীলতা এবং আলো-ছায়ার খেলা থেকেই জোছনার ছন্দ বোঝা যায়।
সপ্তম শ্রেণী
বিষয়: বাংলা
ছন্দে শুধু কান রাখো কবিতার MCQ প্রশ্ন উত্তর
১. ‘ছন্দে শুধু কান রাখো’ কবিতাটির কবি হলেন-
ক) সুকুমার রায়
খ) অজিত দত্ত
গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘ) সুকান্ত ভট্টাচার্য
উত্তর: খ) অজিত দত্ত
২. ছন্দ শুনতে হলে যা ভুলতে হবে-
ক) দ্বন্দ্ব
খ) পড়া
গ) সুরঘ
ঘ) মন্দ কথা
উত্তর: ক) দ্বন্দ্ব
৩. ঝিঁঝির ডাক শোনা যায়-
ক) ভর দুপুরে
খ) ভোরবেলায়
গ) বর্ষার ভোরে
ঘ) ঘোর রাতে
উত্তর: ঘ) ঘোর রাতে
৪. ছড়া আছে-
ক) পাখির ডাকে
খ) ঝড়ে
গ) নদীর স্রোতে
ঘ) ঝিঁঝির ডাকে
উত্তর: গ) নদীর স্রোতে
৫. ঘড়ির কাঁটার ছন্দে বাঁধা-
ক) দিনরাত
খ) মিনিট
গ) জীবন
ঘ) পৃথিবী
উত্তর: ক) দিনরাত
৬. সকল ছন্দ শুনতে পেলে জীবন হয়ে উঠবে-
ক) রূপময়
খ) গন্ধময়
গ) পদ্যময়
ঘ) সহজসরল
উত্তর: গ) পদ্যময়
৭. সকল ছন্দ শোনার জন্য কবি যে-দুটি ইন্দ্রিয় সক্রিয় রাখতে বলেছেন-
ক) নাক ও
খ) কান ও মন
গ) চোখ ও মন
ঘ) নাক ও মন
উত্তর: খ) কান ও মন
৮. ছন্দে কান না-দিলে সহজ হয়-
ক) গল্প লেখা
খ) গদ্য লেখা
গ) রচনা লেখা
ঘ) পদ্য লেখা
উত্তর: ঘ) পদ্য লেখা
৯. জলের ছন্দে তাল মিলিয়ে পাড়ি দেয়-
ক) মোটরগাড়ি
খ) নৌকো-জাহাজ
গ) জেলে নৌকা
ঘ) স্টিমার
উত্তর: গ) জেলে নৌকা
আরও দেখো: বিজ্ঞান ও কুসংস্কার রচনা